অ্যাজমা বা হাপাঁনি নিজেই নিয়ন্ত্রন করুন

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

11 months ago | Date : October 4, 2016 | Category : এজমা,ক্রনিক রোগ | Comment : Leave a reply |

asthma controlঅ্যাজমা বা হাপাঁনি এমন একটি রোগ যার কোন মুক্তি নেই। যাকে এই রোগে একবার গ্রাস করেছে সে সারাজীবন এই রোগীর গানি টানতে হবে। তবে কিছু নিয়ম কানুন বা ঔষধ খেলে এই রোগ কন্ট্রোলে বা  নিয়ন্ত্রনে  রাখা সম্ভাব।

অ্যাজমা বা হাপাঁনি হল শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদী রোগ এই ফলে শ্বাসনালী ফুলে যায় এতে অতি মাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পরে।

অ্যাজমা বা হাপাঁনির লক্ষন সমূহ

  • অতিরিক্ত কাশি হওয়া
  • জোরে জোরে স্বাস নেওয়া।
  • মাঝে মাঝে প্রচন্ড কষ্ট অনুভব হওয়া।
  • শ্বাস নেওয়ার ফলে বুকে ব্যথা হওয়া।
  • বুকের ভিতর শোঁ শোঁ শব্দ হয়।
  • ঘন ঘন কাশি হওয়া সাথে শ্বাস কষ্ট হওয়া।

নিয়মিত চিকিৎসার ফলে এই কঠিন রোগকে নিয়ন্ত্রনে আনা যায়।

বর্তমানে হাপাঁনি চিকিৎসার বিভিন্ন ঔষধ বাহির হয়েছে। এই ওঔষধ সর্ম্পকে রোগীকে সঠিক ধারনা থাকতে হবে। রোগের উপর ভিত্তি করে ঔষদের মাত্রা নির্দারন করতে হবে।

কোন ঔষধের পার্শ প্রতিক্রিয়া কি কোন সময় কোনটা খাওয়া যাবে আবার কোনটা খাওয়া যাবেনা, সে সর্ম্পকে রোগীকে রানা থাকতে হবে। হাপাঁনি রোগ কোন সংক্রোমন ঘটায় না। আবার এটি যে কোন বয়সে যেকোন মানুষের হতে পারে। সময় মতো উপযোক্ত চিকিৎসা ন করালে সংবেদনশীলতা বেড়ে মৃত্যু প্রযন্ত ঘটতে পারে।

হাপাঁনি বা অ্যাজমার সঠিক কোন করন এখনো জানা যায়নি। তাই এই রোগের জন্য নির্দিষ্ট করে কিছুকে এর জন্য দায়ী করা যায় না।

তবে বিশেষজ্ঞরা গবেষনা চালিয়ে কয়েকটি কারন বাহির করেছেন। তা নিছে দেওয়া হলঃ-

  • পারিবারিক ইতিহাস অর্থৎ বংশগত কারনে।
  • দূষিত পরিবেশ বা দুলাবালির মধ্যে থাকলে।
  • ফুলের ফরাগ রেনু।
  • অতিমাত্রায় এলার্জি হলে।
  • পশু পাখির পালক।
  • ছত্রাক ইস্ট।
  • কিছু খাবার অতিরিক্ত খেলে(চিংরি মাছ, হাসের ডিম, ইলিশ মাছ, গরুর মাংশ, বেগুন)
  • কিছু ঔষধ (বিটা ব্লকার, এসপিরিন অত্যাদি)।
  • সিগারেটের ধোয়া ইত্যাদি।

হাপাঁনির ফলে বুক ব্যথা হয়ে যায়। ফুসফুসের কার্যকারিতা কমে যায়। কিছু খাবার যেমন হাসের ডিম, গরুর মাংশ, বেগুন, চিংড়িমাছ, এত্যাদি অতিরিক্ত খেলে নাক দিইয়ে পানি পরে এলার্জি বেড়ে যায়। ফলে হাপাঁনির উপসর্গ দেখা দেয়।

এছাড়াও অতিরিক্ত সুগন্ধি বা কিটনাশকের গন্ধের ফলে শ্বাস কষ্ট বেড়ে হাপাঁনি হতে পারে।

অ্যাজমা বা হাপাঁনির চিকিৎসা…

এই রোগের নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা বের হয়নি। নিয়ন্ত্রন রাখার জন্য কিছু ঔষধ বা নিয়মা মেনে চলার মাধ্যমে এর নিয়ন্ত্রন রাখা সম্ভাব।

  • শ্বাস কালে ইনহিলার ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতি ৫ সেকেন্ড পর পর ৫ চাপ নেওয়া মাঝ খানে একটু দম নেওয়া।
  • দুলা বালি থেকে দূরে থাকা।
  • রাস্তায় বাহির হলে মাক্সস ব্যবহার করা।
  • অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা (ফুটকবল খেলা)
  • যে সকল খাবার এলার্জি যুক্ত সেগুলো কম খাওয়া (হাসের ডিম গরুর মাংশ, চিংড়িমাছ)।
  • ধুমপান ত্যাগ করা।
  • পার্শ প্রতিক্রিয়া যেনে ঔষধ সেবন করা।

তাই এই রোগ থেকে দূরে থাকতে জন সাধারনের মাঝে গন সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। পোস্টার ব্যানার সোভা যাত্রা ইত্যাদির মাধ্যমে পাচার করতে হবে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এর ব্যপকতা আলোচনা করে তাদের রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করা।

মোঃ দেলোয়ার হোসেন

মেডিশিন ও বক্ষব্যধি বিশেষজ্ঞ ইব্রাহিম মেডিকেল

কলেজ ও বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো,

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top