অ্যাজমার ঔষধ ও অস্থিক্ষয়

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

2 years ago | Date : September 20, 2016 | Category : দীর্ঘস্থায়ী রোগ,ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ,হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

অস্থিক্ষয় বা অস্টিও পোরেসিস হচ্ছে একটি রোগ যার ফলে হারের শক্তি কমে যায়, হাড়াভঙ্গুর হয়ে যায়। ফলে সহজেই হার ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অস্থিক্ষয়ের ফলে দেহের প্রধান হাড় গুলো। যেমনঃ- মেরুদন্ডের ছোট হাড়, বাহু, কব্জি এবং অস্থি প্রদেশের হাড় গুলো।

অস্টি ও পেরোসিস যাদের হয়…

এই রোগে বেশি আক্রান্ত দেশ হচ্ছে আমেরিকা। প্রায় ২৫ মিলিয়নেরও বেশি। প্রাপ্ত বয়স্কদের এই রোগ বেশি হয় বিশেষ করে মহিলা যাদের মেনোপজ অর্থৎ ঋতুবন্ধ হয়েগেছে এমন মহিলা।

আরও অন্যান্য যেসব কারন তা হচ্ছেঃ-

  • পারিবারিক ইতিহাস।
  • খাদ্যে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের অভাব।
  • ব্যায়াম না করা।
  • মহিলাদের মাসিকের সমস্যা
  • ধুম পান
  • ওজনহীনতা
  • জাতি ভেধে(এশীয় এবং শ্বেতাঙ্গদের এই রোগ বেশি এবং আফ্রিকানদের এই রোগ কম হয়)।
  • এছাড়াও কিছু ঔষধ অস্থিক্ষয়ের কারন।

অ্যাজমার সঙ্গে এবং অস্থিক্ষয়ের  সর্ম্পক আছে। কেননা, ফুসফুসের প্রদাহ জনিত একটি রোগ হচ্ছে অ্যাজমা। এইজন্য অ্যাজমা রোগীকে প্রচুর প্রদাহরোধী ঔষধ খেতে হয়। এদের মধ্যে গস্নুকোকর্টিকোস্টরয়েড হচ্ছে শক্তিশালী সিস্পেসিক । অ্যাজমা রোগী দীর্ঘ দিন ধরে এই ঔষধ মুখে গ্রহন করলে পার্শপ্রতিক্রিয়া হিসাবে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি গ্রস্থ হয় অস্থিতে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top