ইনসুলিনের ইতিহাস ও ডায়াবেটিসের কারন ও প্রতিকার

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

11 months ago | Date : September 26, 2016 | Category : অনারোগ্য রোগ,ক্রনিক রোগ,ডায়াবেটিস | Comment : Leave a reply |

diabetes১৯২২ সালের ১৪-ই নভেম্বর স্যার ফ্রেডেরিক গ্রান্ট বেনটিং এর ইনসুলিন দুনিয়ার আবিস্কার লক্ষ-কোটি ডায়াবেটিস রোগীকে জীবনের আলো দেখিয়েছেন।তাই ১৪-ই নভেম্বর দিনটি ডব্লিউএইচও সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালন করা হয়।এবং ডায়াবেটিস বিশেসগ্যরা এইদিনটিকে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন হিসেবে আঙ্খায়িত করেছেন।বর্তমান বিশ্বের ৭০০ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ২৮৫ মিলিয়ন লোক নিরব ঘাতক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।বেশির ভাগ রোগের দেশ গুলো দরিদ্র এবং মধ্য আয়ের।২০৩০ সলের মধ্যে ডায়াবেটিসের রোগীর সংখ্যা দ্বিগুন হতে পারে।দরিদ্র দেশগুলোতে ডায়াবেটিসের রোগীদের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারন হচ্ছে অপুষ্টি জনিত খাদ্য গ্রহন,দূষিত পরিবেশে বসাবস এবং ডাক্তারদের সাথে সর্ম্পক হীনতা।বিজ্ঞানীদের মতে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ডায়াবেটিস রোগীদের আষ্টম দেশ হিসেবে পরিনত হতে পারে।বর্তমানে ডায়াবেটিস সর্ম্পকে মন্তব্য হচ্ছে ডায়াবেটিস সর্ম্পকে শিক্ষা নিতে হবে এবং একে প্রতিরোধ করতে হবে।আর এর শ্লোগান হচ্ছে ডায়াবেটিসের জটিলতাকে চিনুন।এক সময় এদেশে চিকিৎসা বিজ্ঞান উন্নত ছিলনা বলে বিভিন্ন সংক্রমক রোগে(কলেরা,ডায়রিয়া,বসন্ত ইত্যাদি)আক্রান্ত হয়ে শতে শতে মানুষ মারা যেত।চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির ফলে মানুষ এর অভিষাপ থেকে মুক্তি পেয়েছে।কিন্তু বর্তমনে নিরব ঘাতক ডায়াবেটিস মানুষের কাছে চরম অভিষাপ হয়ে দাড়িয়েছে।বিগত ৪০ বছর পূর্বে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ছিল ১%।বর্তমানে তা দাড়িয়েছে ৬% এর বেশি।বর্তমানে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে ২০-৭৯ বছর বয়সী লোকের সংখ্যা বেশি প্রয় ৭০ লাখ।বিশেষ করে দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলোতে এর প্রভাব বেশি।ডায়াবেটিসের কবলে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের তরুন প্রযম্ম।ভেঙ্গে যাচ্ছে দেশের মেরুদন্ড।ডায়াবেটিসের ফলে নানা রকম রোগের সৃষ্টি হয়(উচ্চ রক্তচাপ,কিডনি,দৃষ্টি শক্তি,বার বার প্রসাব ইত্যাদি)।
ডায়াবেটিসের কারন…
ডায়াবেটিসের প্রধান কারন হচ্চে রক্তে সুগারের পরিমান বেড়ে যাওয়া।এ ছাড়াও বিভিন্ন কারন আছে যারা ডায়াবেটিসের জন্য প্রতখ্য ও পরোখ্য ভাবে দায়ী।
-নিদৃষ্ট পরিমান ব্যায়ামের অভাব।বর্তমানে গ্রাম হচ্ছে শহর আর শহর হচ্ছে বস্তি।ফলে শরীর চর্চা, ব্যায়াম এবং খেলা-দুলার মাঠের অভাব।
-উচ্চ বিলাসীতা(লিফট,গাড়ী ব্যবহার।ঘুম থেকে দেরিতে উঠা)
-অতিরিক্ত মানসিক চাপ(পড়া-লেখা,পরিবারিক জামেলা,প্রিয় জন হারানো ইত্যাদি)
-অতিরিক্ত পরিশ্রম,প্রয়োজনীয় বিশ্রম ও নিদ্রার অভাব।
-কম্পিউটার,টেলিভিশন,ফেসবুক,ইন্টারনেটকেন্দ্রিক শহরে অলস জীবন।
-অপুষ্টি জনিত খাদ্য গ্রহন।বস্তির নোংরা পরিবেশে বসবাস।
ডায়াবেটিসের ফলে সৃষ্টি কৃত সমস্যা…
-দৃষ্টি ক্ষীন এমন কি অন্ধ হওয়ার প্রবনতা থাকে।
-দীর্ঘ দিন ডায়াবেটিসের ফলে কিডনি সমস্যা দেখাদেয়।
-হার্ট,স্নায়ুর ক্ষতিকরে।এমন কি পঙ্গুত্ব ও অকাল মৃত্যুর কারন হতে পারে।
ডায়াবেটিস কিভাবে প্রতিরোধ করব…
সাধারনত ২ ভাবে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়।
১-রোগ হওয়ার আগে ২-রোগ হওয়ার পরে।
** রোগ হওয়ার আগে অর্থৎ ছোট বেলা থেকেই সুষম ও পুষ্টিকর খাবার প্রধান।প্রয়োজনীয় ঘুম,বিশ্রম ও ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরকে গঠন করা।প্রয়োজন অনুসারে শাকসবজি ও মাছ মাংশ খাওয়া।র্চবি ও শর্করা জাতীয় খাদ্য কম খাওয়া।অধিক ক্যালরিযুক্ত খারার কোমল পানীয় ফাস্টফুড না খাওয়া।সকল নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে বিরত থাকা।ছোট থেকেই কায়িক শ্রমের অভ্যাস গড়ে তোলা।শহরতলিতে প্রযাপ্ত পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরী করা।
** রোগ হওয়ার পর অর্থাৎ ডায়াবেটিসের লক্ষ্যণ দেখার(বার বার প্রসাব,অতিরিক্ত পিপাসা,অল্পতেরই ক্লান্ত)সাথে সাথে যত দূরুত্ব চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা।
সকল মিষ্টি জাতীয় খাদ্য(বিশেষ করে চিনি)পরিহার করা।অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা।প্রয়োজন অনুসারে বিশ্রাম ও নিদ্রা যাওয়া।ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্য তালিকা দেখে খাবার খাওয়া।যতটুকু সম্ভাব দূষিত পরিবেশ ত্যাগ করা।চিকিৎসকের পরার্মশ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করা।
বিঃদ্রঃ উপরে উল্লেখিত্য বিষয় গুলো বই-পুস্তক,পত্রিকা ও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করে সকল মানুষকে নিরব ঘাতক ডায়াবেটিসের কবল থেকে দূরে থাকার জন্য সচেতন করা।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags: ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top