অটিজম প্রতিরোধে চাই সর্বস্তরে সচেতনতা

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

10 months ago | Date : October 2, 2016 | Category : দীর্ঘস্থায়ী রোগ | Comment : Leave a reply |

অটিজম বলতে আমরা বুঝি কোন শিশু অর্থৎ কোন মানুষ যদি স্বাভাবিকের ছেয়ে ভিন্ন দেখায় বা ভিন্ন আচরন করে তাকেই আমরা অটিজম বলে মনে করি। যে পরিবারে একটি অটিজম শিশু থাকে সে পরিবারে সকলেই শারীরিক ও মানষিক সমস্যায় পরতে হয়। আবার কিছু পরিবার আছে যারা জানেও না যে তাদের সন্তান অটিজমে আক্রান্ত। অটিজম মস্তিস্কের বিকাশে বাঁধা দেয় অর্থৎ মস্তিষ্কের বিকাশের প্রতিবন্ধকতা। যা প্রকাশ পায় আক্রান্ত শিশুর ৩ বছরের মধ্যেই।

সাম্প্রতিককালে বিশেষজ্ঞরা অটিজমকে, অটিজম স্পেকট্রাম ডিসওর্ডার বলে আখ্যায়িত করেন।

সামান্য থেকে শুরু করে গুরুতর সমস্যায় ভোগছে অটিজম শিশুরা। বিভিন্ন সমস্যার অটিজম রোগী থাকলেও ৩ টি প্রধান সমস্যা সকল অটিজম রোগীদের মধ্যে আছে।

  • অটিজম শিশু কিশোরেরা নিজের মত প্রকাশে ব্যার্থ, ভাবভঙ্গি শ্বাভাবিকের ছেয়ে আলাদা।
  • সামাজিক আচরনে পিছিয়ে , বন্ধুত্ব করতে বা টিকিয়ে রাখতে ব্যার্থ।
  • উপলব্ধিতে ব্যার্থ অর্থৎ পঞ্চ ইন্দ্রিয় যথাঃ- চোখে দেখা, কানে শোনা, স্বাদ নেওয়া, গন্ধ নেওয়া, স্পর্শ করা ইত্যাদিতে তারা ব্যার্থ। অটিজম রোগীরা নিজে যা মনে করে তাই  বাস্তবে করতে চায়। মাঝে মাঝে তারা অস্বাভাবিক আচরন করে।

শারীক সমস্যার ছেয়ে ব্যবহারিক সমস্যা  দিয়েই  এই রোগীদের বেশি সনাক্ত করা যায়।

শিশুরা অটিজম হওয়ার কারন…।

  • গর্ভকালিন সময়ে মার ভাইরাস জ্বর নিশেষ করে রুবেলা হলে।
  • শিশু অবস্থায় টিকা না দিলে (গগজ টিকা)।
  • শিশুর খিচুনি রোগ হলে।
  • জম্মের সময় শিশুর অক্সিজেনের অভাব হলে।
  • খাদ্যে এলার্জির পরিমান বেশি।
  • অতিরিক্ত এন্টি-বায়োটিক গ্রহন।
  • দূষিত পরিবেশে বসবাস।
  • বংশগত কারনে।
  • খাদ্য নালীতে ছত্রাকের আধিক্য

উল্লেখিত কারন গুলোর জন্য একটি শিশু অটিজম হয়ে থাকে।

অটিজমের চিকিৎসা…

পৃথিবীতে অটিজম রোগীদের বিভিন্ন চিকিৎসা প্রদ্ধতি প্রচলিত হয়েছে। এর মধ্যে সবছেয়ে কার্যকরি চিকিৎসা হচ্ছে। অটিস্টিক শিশুদের যতদ্রুত রোগটি সনাক্ত করা যায় এবং যত তারাতারা শিশুকে একটি যথোপযোগী শিক্ষা কার্যক্রম সম্পৃক্ত করা যায়, তত তারাতারি উন্নতি করা সম্ভাব।

প্রতিটি অটিস্টিক শিশুর সমস্যা চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা গ্রহন করলে শিশুরা উপকৃত হবে।

অটিস্টিক শিশুকে কিভাবে চিনব ???

  • শিশু যদি ১ বছর বয়সেও কথা (মুখে আওয়াজ) না বলে অথবা ইশারায় কোন কিছু না দেখায়।
  • ১৬ মাসের মধ্যে যদি শব্দের মিশ্রনে বাক্য না বলে।
  • ২ বছর বয়সেও যদি সে কথা অর্থৎ আব্বা আম্মা না ডাকতে পারে।

এতে করে কোন পিতামাতে চিন্তিত হবেন না। যত টুকু সম্ভাব শিশুর পাশে থাকুন, তার সাথে কথা বলুন, খেলা দুলা করুন এতে শিশুর ভালো হবে।

২০০৪ সালে অটিজম নিয়ন্ত্রন ও গনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষে ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ঘঠন করা হয়। বর্তমানে এর শিক্ষাথি সংখ্যা ১১৬ জন।

এটি একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন । ডাঃ রওনাক হাফিজ

বাসা- ৩৮/৪০,রোড- ০৪, ব্লক-খ, পিসিকালচার হাউজিং

সোসাইটি, মোহাম্মদপুর ঢাকা-১২০৭।

ফোনঃ৮১২১৭৫৯, ০১৫৫২৩৬৩৫৭৫।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top