দাঁত ব্রাশে যে ১০টি বিষয় মাথায় রাখতে হবে

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

11 months ago | Date : September 23, 2016 | Category : হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

নিয়মিত দাঁত পরিস্কার করলে দাঁতে দূর্গন্ধ থাকে না পোকা ধরে না। দাঁত থাকে শক্ত ও মজবুত।
আমদের দেশে প্রায় বেশির ভাগ লোকই ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিস্কার করে। কিন্তু শুধু দাঁত পরিস্কার হলেই দাঁত শক্ত ও মজবুত হবেন।এর জন্য প্রয়োজন সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করা।datbrash, দাঁত ব্রাশ
১. ব্রাশ কেমন হবেঃ দাঁত পরিস্কারের জন্য এমন ব্রাশ চাই, যে ব্রাশ শক্ত নয় আবার অতি নরমও নয়। কিন্তু এর হাতল ধরতে বেশ সুবিদা জনক। এমন হতে হবে যেন সকল দাতের সাথে সহজে লাগানো যায় অর্থাৎ দাতের উপরে নিছে যাতে সহজে আনা নেওয়া করা যায়।
বর্তমানে ইলেট্রনিক ব্রাশ বাহির হয়েছে। এই ব্রাশ দাতের প্রতিটা স্থান থেকে খাবারের কনা বাহির করে আনে। তাই বিজ্ঞানিরাও ইলেকট্রনিক ব্রাশ ব্যবহারে সুপারিশ করেছেন।
2. কতক্ষন ধরে ব্রাশ করতে হবেঃ- আমরা বেশির ভাগ লোকই দিনে এক বার দাঁত ব্রাশ করি এতে দাতের ময়লা ভালো ভাবে পরিস্কার হয়না। বিজ্ঞানীদের মতে প্রতিদিন দুই বার দাঁত ব্রাশ করা। তিন বার করলে ভালো হয়। উত্তম ভাবে দাঁত ব্রাশ করার জন্য দুই মিনিটই যথেষ্ট। দাঁত গুলোকে চার ভাগ করা যায়। উপর নিছে, ডানে বামে। প্রতি ভাগে ৩০ সেকেন্ড করে দুই মিনিটই উত্তম। অনেকে দেখা যায় হাটতে হাটতে দাঁত ব্রাশ করে, কেউ কাজ করতে করতে, কেউ আবার প্রিয় জনের সাথে ফোনে কথা বলতে বলতে দীর্ঘ সময় ধরে দাঁত ব্রাশ করে, এতে দাতের এনামেল ক্ষয় হয়ে এরোসন হতে পারে, ফলে ঠান্ডা বা গরম পানি অথবা চা পান করার সময় দাঁত শিরশির করে উঠে।
৩. শক্তভাবে ঘষাঘষি করবেন নাঃ অনেকের ধারনা অনেক্ষন বা শক্তভাবে ব্রাশ করলে দাঁত তারাতারি পরিস্কার হবে। এটা আসলে ভূল ধারনা। অনেক্ষন এবং শক্ত ভাবে দাঁত ব্রাশ করলে দাতের এনামেল উঠে যায়, দাতের ক্ষয় হয়, এমন কি মারিরও ক্ষয় হয়। তাই এমন ভাবে দত ব্রাশ করতে হবে যাতে দাতের ক্ষতি না হয় এবং দাতের প্রতিটি স্থান পরিস্কার হয়।
৪. যে ধরনের টুথপেস্ট ব্যবহার করবেনঃ- আমরা অনেকেই টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখে টুথপেস্ট ব্যবহার করি আমরা মনে করি এগুলোই ভালো। কেননা শুনতেছি দাঁতকে দবদবে সাদা করে, ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
আসলে কি এগুলো সবার জন্য উপযোগী। সঠিক পেস্ট ব্যবহার করতে হলে দাঁত পরিক্ষা করে ডেন্টিস্ট এর থেকে জেনে নিন কোন পেস্ট আপনার উপযোগী।
৫. ব্রাশ পরিস্কার রাখুনঃ দাঁত ব্রাশ করার পর ব্রাশ ভালো ভাবে দুয়ে পানি ছাড়িয়ে রাখা ভানো। কারন মুখের খাদ্য কনা ব্রাশের সাথে লেগে আছে। শুকিয়ে রাখার কারন হচ্ছে ভিজে সেতেসেতে থাকলে জিবানু তৈরী হতে পারে।
৬. একটি ব্রাশ কতদিন ব্যাবহার করবেনঃ আমেরিকান ডেন্টাল এসোসিয়েশনের মতে তিন থেকে চার মাস ব্যবহার করাই নিরাপদ। ব্রাশের দিকে লক্ষ করুন। ব্রাশের শলাকা গুলো বাকা হয়েছে কি ? তাহলে বদলে পেলুন। কেননা, বাকা হওয়ার ফলে দাতের ভিতরের খাদ্য কণা বের করতে পারেনা।
৭. মাঝে মাঝে শুরুটা পরিবর্তন করুনঃ- সাধানত আমরা প্রতিদিন একই জায়গা থেকে দাঁত ব্রাশ শুরু করি। এতে এক জায়গা সময় বেশি এবং অন্য জায়গা কম হয়। ফলে দাতের ক্ষতি হতে পারে। তাই এক দিন এক জায়গা থেকে ব্রাশ শুরু করলে ভালো হয়।
৮. সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ করুনঃ গবেষকদের মতে প্রথমে ৪৫ ডিগ্রি কোনে বসিয়ে দাতের প্রতিটি স্থানে ব্রাশ করতে হবে। সাথে সাথে জিহ্বার খাদ্য কণা ও পরিস্কার করতে হবে।
৯. ব্রাশ বাথরুমে রাখবেন নাঃ প্রায় দেখাযায় আমরা বাথরুমে বেসিং এর উপর ব্রাশ রাখি। এটা মোটেও ঠিক নয়। কারন, এতে জীবানু প্রবেশ করতে পারে। তাই ব্রাশ করার পর ভালো ভাবে ব্রাশ পরিস্কার করে শুকিয়ে নিদৃষ্ট স্থানে রাখতে হবে।
১০. অতিরিক্ত সফট ড্রিংকসঃ- বিভিন্ন ধরনের এনার্জিক ড্রিংক, ডায়েট সোডা, কফি, চকলেট দাতের এনামেল কে ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও টক জাতীয় পানিয়। যেমনঃ- অরেঞ্জ, লেবু, আপেল ইত্যাদি সহজেই দাতের এনামেল কে ক্ষতি করতে পারে। তাই টক জাতীয় খাবার খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা উচিৎ।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags: ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top