দেখুন আঁশযুক্ত খাবারের কত গুন !!!

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

10 months ago | Date : September 20, 2016 | Category : ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ,হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

খাবারের যে  অংশ পরিপাক হয়না, এবং যা খাদ্য গ্রহনের অবশিষ্ট হিসেবে থেকে মল তৈরী করে তাকে আঁশযুক্ত খাবার বলে। আশে পুষ্টি উপাদান তেমন না থাকলেও রোগ মুক্তিতে বা স্বাস্থ্য রক্ষায় আশের তুলনা হায়না।

রোগ মুক্তিতে নিছে আশের কয়েকটি গুরোত্ব দেওয়া হলঃ-

  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করে।
  • কোমল ক্যান্সার নিয়ন্ত্রনে গুরোত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • দেহের অতিরিক্ত চর্বি নিষ্কাশনে সহায়তা করে।
  • খাদ্যের আঁশ স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকে পালন করে।
  • আশযুক্ত খাবার পরিপাক না হয়ে মল তৈরী হয় যা কোষ্ঠকাঠিন্যসহ বিভিন্ন রোগ যেমনঃকোলাইটিস, পাইলস ইত্যাদি রোগে সহায়তা করে।

একজন প্রপ্ত বয়স্ক ব্যাক্তির সুস্থ্য জীবনের জন্য প্রতিদিন কম পক্ষে ৪০ গ্রাম আঁশ গ্রহন করা উচিৎ। তবে অতিরিক্ত আশযুক্ত খাবার আবার বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান (আয়রন, ক্যালসিয়াম) শোষনে বাঁধা দেয়।

নিছে আঁশ যুক্ত কয়েকটি খাবার…

আস্ত আপেল, আস্ত নাশপাতি(খোসাসহ),আম, শিম, মটরশুটি, মশুর ডাল, বার্লি, শাকসবজী ইত্যাদি খাবারে আঁশ থাকে।

 

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top