অ্যাজমা নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

10 months ago | Date : September 21, 2016 | Category : ক্রনিক রোগ | Comment : Leave a reply |

asthma-problemযারা শ্বাসকষ্টে ভোগে অর্থৎ যাদের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় আমরা তাদেরকে বলি অ্যাজমা রোগী বা হাঁপানি। হাঁপানি হলে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হয়। একটানা অনেক্ষন জোরে শ্বাস হতে থাকে যখন ফুসফুস বাতাস টানতে না পারে তখন শরীরে বাতাসের অভাব হয়। ফলে প্রযাপ্ত বাতাস পাওয়ার জন্য জোরে জোরে শ্বাস নিতে হয়। আর একেই আমরা অ্যাজমা বা হাঁপানি বলি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বর্তমান বিশ্বে অ্যাজমা রোগটি দিন দিন বেড়েই চলছে।

আক্রান্ত ব্যাক্তির সমস্যা…
– শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট।
– নিঃশ্বাসে শব্দ হওয়া।
– বুকে জমাট বাঁধা বা ঠান্ডা লাগা।
– নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় বুকে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হওয়া।

অ্যাজমার কারন বা ট্রিগার। বিশেষজ্ঞরা এখনও সঠিক ভাবে বলতে পারেন না অ্যাজমা বা হাঁপানি হওয়ার মূল কারনটি কি?
তবে বিজ্ঞানিরা কয়েকটি বিষয়কে এই রোগের জন্য দায়ী করেন।
নিচে তা দেওয়া হলঃ- বেশির ভাগ বিজ্ঞানিরা মনে করেন দূষিত বাতাসের কারনে এই রোগটি হয়ে থাকে।

পরিবারে কারও অ্যাজমা বা এলার্জির ইতিহাস থাকলে এই রোগ হতে পারে।
কিছু বিজ্ঞানীদের মতে দুলবালি আর রাস্তার ময়লা খাবারের করনে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ হয়ে থাকে।
এছাড়াও পোষা প্রানী, ফুলের রেনু ইত্যাদির মাধ্যমে ও অ্যাজমা বা হাঁপানি ছড়াতে পারে।

ঘরে যদি ট্রিগার গুলো থাকলে(যারা অ্যাজমার জন্য দায়ী) করনীয়।

• ময়লা জামা-কাপর পরিস্কার করুন যাতে ছত্রাক বা ব্যকটেরিয়া যাতে আক্রমন করতে না পারে।
• পানির পাইব পরিস্কার রাখুন।
• ঘর এবং ঘরের আশে-পাশে পরিস্কার রাখতে হবে ও শুকনা রাখতে হবে। কারন ভেজা সেতেসেতে স্থানে ব্যকাটেরিয়া এবং ছত্রাকের জম্ম।
• বাথরুম বা রান্নঘরে ফ্যান লাগাতে পারেন, এতে দুলা বালি বাহিরে চলে যাবে এবং বাহির থেকে বিশুদ্ধ বাতাস ঘরে আসবে।

ডাস্ট মাউন্ট…

• আমাদের চারপাশে এমন ছোট প্রানী আছে যাদেরকে আমরা সহজে বা খালি চোখে দেখি না।এরা বসবাস করে আমাদের বিছানায়, বালিশে, জামাকাপরে ঘরের কোনে এত্যাদিতে। এদের প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজন বিছানা –বালিশ সপ্তাহে অত্যন্ত একবার পরিস্কার করা।
• সুটকেস, আলমিরা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিস্কার করা।
• ঘর এবং এর চারপাশ শুকনো রাখা। কেনন, ভেজা সেতে সেতে জায়গায় জীবানুর বসবাস।

ধুম পান…

যারা ওপেন অর্থৎ লোকালয়ে, জনস্মূক্ষে ধুমপান করেন তারা আসলেই জানেন না তারা অন্যের কতটা ক্ষতিবয়ে আনে। ধোয়ার গন্ধ যাদের কাছে পৌছায় ধুমপায়ীর সাথে তারাও ক্ষতিগ্রাস্থ হয়। ধোয়া অ্যাজমা ট্রিগার হিসাবে কাজ করে।
তাই লোকালয়ে ধুমপান করা উচিৎ নয়।
বাচ্ছারা কৌতহলী তাই তাদের সামনে কখনই ধুমপান করা উচিৎ নয়।

তেলাপোকা…

তেলাপোকা ময়লা আবর্জনা থেকে এসে আমাদের শরীর সহ জামা কাপর খাবার দাবার অর্থৎ ঘরের প্রতিটা স্থানে হাটাচলা করে বিভিন্ন ক্ষতিকর রোগ ছড়ায়।
তাই খাবার-দাবার ঢেকে রাখতে হবে।
বেসিন, রান্নাঘর, ঘরের কোনা ইত্যাদি পরিস্কার রাখতে হবে।

গৃহ পালিত পশু…

উষ্ণ রক্তের (বিশেষ করে বিড়াল) প্রানীর লালা ও মূত্র অ্যাজমার কারন।
তাই পোষা প্রানীর থাকার ব্যবস্থা ঘরের বাহিরে করুন।
পালিত বিড়াল বা কুকুর কে মাঝে মাঝে সাবান দিয়ে গোসল করান।

চিকিৎসা…

অ্যাজমার এখন প্রযন্ত কোন চিকিৎসা হয়নি। তবে নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয় বিশষ ইনহিলার আছে। তীব্র শ্বসের সময় কিছুখন পর পর ৫ চাপ করে ইনহেলার নিলে শ্বাস কষ্ট নিয়ন্ত্রনে আনা যায়।

সূত্রঃ দৈনিক যায়যায়দিন।

how to control asthma

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags: ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top