কিডনিতে সমস্যা হলে রোগের শেষ নেই

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

12 months ago | Date : October 13, 2016 | Category : কিডনী,ক্রনিক রোগ | Comment : Leave a reply |

kidneyকিডনি যে আমাদের দেহের জন্য কত প্রয়োজনীয় অঙ্গ তা আমরা অনেকেই জানিন বলেই কিডনি নিয়ে এত অবেহেলা। আমরা যদি যানতাম কিডনির রোগ মানেই সারা শরীরের রোগ তাহলে আমরা কিডনির একটু সমস্যা হলেই প্রতিনিয়ত চিকিৎসকদের মাধ্যমে কিডনি পরিক্ষা করাতাম।

কিন্তু দূরভাগ্যবসত আমরা অনেকেই জানিনা কোন লক্ষন গুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে কিডনির সমস্যা আছে অথবা কি খেলে কিডনির সমস্যা হয় বা কোন খাবার গুলো খেলে কিডনি সবলা রাখা যায়।

 তাই কিডনির সকল সমস্যা নিয়ে আমার আজকের এই পোস্ট।

কিডনি আমাদের দেহের অতিপ্রয়োজনীয় উপাদান। কেনন, আমাদের খাবারের পরিশোধন করে বা ছেকে ভালো উপাদান গুলো দেহে রেখে বিষক্ত বা বর্জ্র পদার্থ গুলো প্রসাব বা মলের সাথে বাহিরে বের করে সুস্থ সুন্দর ও রোগ মুক্ত। কিডনি যদি আমাদের দেহের দূষত পদার্থ পরিশ্রুত না করে তাহলে অসুস্থ হয় হৃদযন্ত্র ভয় থাকে হার্ট অ্যাটাকের, আক্রান্ত হয় ফুসফুস ভূগতে হয় শ্বাসকষ্টে।  আমাদের দেহে দুইটি কিডনি । প্রতিদিন প্রায় ২-৩ লিটার পানি কিডনি দিয়ে পরিশ্রুত হয়  প্রতিদিন প্রসাবের সাথে বের হয় দেহের বর্জ্র ও অম্ল। কিডনি রক্তে লোহিত কনিকা তৈরী করে রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে। কিডনিতে ভিটামিন-ডি সক্রিয় ভাবে পরিনত হয়। ফলে হার থাকে মজবুত।

ইরিথ্রোপয়টিন নামক হরমোন দ্বারা কিডনি তৈরী হয়। অতিরিক্ত লবন কিডনি পরিশ্রুত করতে পারে না তখন শরীরে পানি জমে যায় এবং রক্ত  চাপ বৃদ্ধি পায়। বয়স যখন ৪০ বছর বা তার বেশি হয় তখন এই রোগ বেশি দেখা দেয়।

উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্র না করলে কিডনির অনেক ক্ষতি হয়। তাই কিডনি ভালো রাখার জন্য উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।

আমাদের দুইটি কিডনি এর মধ্যে একটি ড্যামেজ হলে বা কাউকে দান করলে একটি কিডনি দিয়ে সুস্থ ভাবে জীবন যাপন করা সম্ভাব। কথায় আছে  “One to care and  one to share”  পৃথীবিতে অনেক মানুষ আছে যারা একটি কিডনি দিয়ে জীবন যাপন করছেন।

কিডনি ভালো রাখার জন্য যা করনীয়…

  • মাঝে মাঝে রক্তের ক্রিয়েটিনিন মান পরিমাপ করবেন।
  • নিয়মিত রক্ত চাপ মাপাবেন।
  • প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে।
  • কিডনি রোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে আগে থেকেই পরিক্ষা করতে হবে।
  • হিমায়িত খাবার আচার ফাস্টফুডের দোকানের খাবার।
  • খাদ্যে লবন কম খেতে হবে।
  • অতিরিক্ত ওজন এবং স্থুলতা কমাতে ব্যায়াম করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী

পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস

বারডেম ঢাকা।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top