ডায়াবেটিসঃ লো-গ্লাইসিমিক ডায়েট

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

11 months ago | Date : November 7, 2016 | Category : অনারোগ্য রোগ,ডায়াবেটিস,বিবিধ,ভাইরাসজনিত রোগ | Comment : Leave a reply |

খাদ্যবিধি হচ্ছে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের একটি বড় উপায়।আর এর বড় একটি কৌশল হচ্ছে লো-গ্লাইসিমিক ডায়েট।গ্লাইসিমিক ইনডেক্স হল শর্করাজাতীয় খাদ্যকে মূল্যমান নির্ধারনের একটি নিয়ম।একটি শর্করা জাতীয় খাদ্য আহারার পর তা রক্তে কতটুকু সুগার মান উন্ন্যায়ন করে।যেসমস্ত শর্করা জাতীয় খাদ্য রক্তে সুগার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে সেগুলোর তালিকা করে নেওয়া যায়।

  • কিছু বিষয় জানা খুবই জরুরি

যেসব খাদ্য রক্তে সুগারের পরিমান বৃদ্ধি করে তাদেরকে লো-গ্লাইসিমিক ইনডেক্স বলে।এবং ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব খাদ্য খাওয়া উচিৎ তা হল লো-গ্লাইসিমিক ও মিডিয়াম গ্লাইসিমিক।দৈনিক কি পরিমান শর্করা শরীরের জন্য উপযোগী ত জেনে খাওয়া ভাল।গ্লাইসিমিক সূচকের খাবার খাওয়ার আগে রক্তের সুগার জেনে নেওয়া ভাল।মিশ্র খাবারে গ্লাইসিমিক সূচক বদলে যায়।আলু শর্করা খারার কিন্তু এতে আছে ভিটামিন সি,পটাশিয়াম এবং আঁশের মত পুষ্টি উপকরন।শুধুমাত্র হাই-গ্লাইসিমিক খাবার খাওয়া মোটেও ঠিক নয়।তবে হাই-গ্লাইসিমিক এবং লো-গ্লাইসিমিক খাবার একত্রে খাওয়া ভাল।এতে শর্করার পরিমান দ্রুত বাড়েনা।

  • গ্লাইসিমিক ইনডেক্স নিয়ে কিছু কথা

গ্লাইসিমিক ইনডেক্স সূচক যা শর্করা জাতীয় খাদ্য খাবারের পর তা রক্তে কতটুকু সুগারের মান উন্নতি করে তা পরিমাপের মানদন্ড।লো-গ্লাইসিমিক রক্তে সুগার ধীরে ধীরে বাড়ায় বলে রক্তে সুগার হঠাৎ উচুতে উঠতে পারেনা।একে Low Gi Diet  বলা হয়।

হাই-গ্লাইসিমিক খাবার রক্তে ভাঙ্গে দ্রুত ফলে সুগারও বাড়ায় দ্রুত।অপর পক্ষে লো-গ্লাইসিমিক খাবার ভাঙ্গে ধীরে ধীরে তাই রক্তে সুগারও বাড়ায় খুব ধীরে।আটার রুটিতে সুগারের পরিমান খুবই কম।খাবারে শির্করার উপর ভিত্ত্বি করে সুচকে ০-১০০ প্রযন্ত মূল্যবান করা হয়েছে।হাই-গ্লাইসিমিক যুক্ত খাদ্যে রেটিং এর পরিমান ৭০-এর বেশি।মিডিয়াম-গ্লাইসিমিক খাদ্যে রেটিং ৫৬-৬৯ প্রযন্ত এবং লো-গ্লাইসিমিক এ ০-৫৫ প্রযন্ত।আমাদের উচিৎ শর্করা জাতীয় খাবারের মধ্যে লো এবং মিডিয়াম গ্লাইসিমিক যুক্ত খাদ্য খাওয়া।

  • অনুপাত বেদে খাবারের তালিকা গুলো নিছে দেওয়া হলঃ
  • আপেল,মিষ্টি আলু,লাল চালের ভাত,মরিচ,আটার রুটি ইত্যাদি(লো-গ্লাইসিমিক)
  • আনারস, স্প্যাগেটি ইত্যাদি (মিডিয়াম)
  • খেজুর,ময়দা,আলু,তরমুজ ইত্যাদি(হাই-গ্লাইসিমিক)

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top