শৈশবের স্থুলতা ও অ্যাজমা

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

12 months ago | Date : October 5, 2016 | Category : এজমা,ক্রনিক রোগ | Comment : Leave a reply |

asthmaঅ্যাজমা এমন এক প্রানঘাতী রোগ যাকে এক বার হাতের নাগালে পায় তাকে আর কখনো ছাড়েনা। আজ প্রযন্ত এর ঔষধ বাহির হয়নি। আবার গত কয়েক বছর ধরে অ্যাজমা ও দৈহিক স্থুলতার সংখা বেড়েই  চলছে। উচ্চবর্গের মানুষের মধ্যে এর প্রবনতা বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই গবেষকেরা এই দুটির মধ্যে কোন সর্ম্পক আছে কিনা তা খুজে বের করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষনা চালাচ্ছে।

যেসব লোক কায়িক শ্রমের ছেয়ে  মানষিক শ্রম বেশি করেন তাদের ক্ষেত্রে দৈহিক স্থুলতা বৃদ্ধির প্রবনতা  বেশি এবং নিয়ন্ত্রনহীন খাদ্যভাস। অন্যদিকে অ্যাজমা রোগীদেরকে নিয়ে ধারনা করা হচ্ছে যে, যারা বেশির ভাগ সময় ঘরের ভিতরে কাটান, এর ফলে ঘরের জীবানু পোষা প্রানির জীবানু এবং ছত্রাকের সম্মূখিন হচ্ছেন বেশি সেই সাথে আবার শারিরিক পরিশ্রমের অভাব।

তার পরও এমন কিছু ঝুকিপূর্ন বিষয় পাওয়া গেছে  যেগুলো অ্যাজমা ও স্থুলতার আন্তঃসম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করে, তবে সবছেয়ে বেশি গবেষনা চলছে এই এই অ্যাজমা আর স্থুলতার মধ্যে কোন জেনেটিক কারন বা সংযোগ আছে কিনা।

এক গবেষনায় জার্মান বিশেষজ্ঞরা এই দুটির মধ্যে সর্ম্পক আছে বলে দাবি করেন। কিন্তু তারা এর মধ্যে কোন সর্ম্পক খুজে পায়নি। তাদের মতে অ্যাজমা ও স্থুলতার সর্ম্পক কোন জেনেটিক নয় বরং শারীরিক।

তারা আরও বলেন স্থুল ব্যক্তির শারীরিক চাহিদা পূরনের জন্য ফুসফুস অতিরিক্ত কাজ করতে হয়।

যার ফলে অ্যাজমার সূত্রপাত ঘটে। এই দুই বিষয়ের মধ্যে প্রধান সূত্র এটাই বলে মন্তব্য করেন তারা।

স্থুলতার আরেকটি কারন শারীরিক ব্যায়ামের অভাব। অ্যাজমার উৎপত্তিতে এরও হাত আছে।

ব্যয়ামের সময় গভীর শ্বাস প্রশ্বাস নিতে হয় এতে শ্বাসতন্ত্রের গভীরতম অঙ্গ গুলো প্রসারন ও সঙ্কোচন হতে থাকে যার ফলে অঙ্গ গুলো শক্তিশালী হয়ে উঠে এবং অ্যাজমা প্রতিরোধে সক্ষ্যম হয়।

আশ্চর্য জনক বিষয় এই যে যার স্থুল ও অ্যাজমা তৈরীতে ভূমিকা রাখে তারা আবার সর্ম্পক যুক্ত আবার কখনো কখনো একটি অপরটির প্রকপ বাড়িয়ে দেয়। শ্বাস কষ্টের কারনে শিশুরা অধিক সময় ঘরে থাকতে বাধ্য হয় তাদের শারীরিক ক্যালরি ঠিক পরিমানে কম হয় এর ফলে স্থুলতাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

যেসব কিশোর কিশোরী স্থুল হয় তারা হীনম্মন্যতায় বেশি ভোগে। তাদের আত্নবিশ্বাস কমে যায়। এই সব হতাশার কারনে অ্যাজমার রোগী ঔষধ ব্যবহারে অনিহা প্রকাশ করে,। যার ফলে অ্যাজমার প্রকোপ আরো বেড়ে যায়। অ্যাজমার জন্য রোগী ঘরে বন্দি হয় অর্থৎ হাটাচলা ব্যায়াম ত্যাগ করতে হয় এতে রোগী আরও মোটা হয়ে যায়।

তবে এই সত্যটি মানতেই হবে যে টিলিভিশন ও ভিডিও গেমস দেখার প্রবনতা স্থুল ও অ্যাজমা উভয় রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।

ডা.গোবিন্দ চন্দ্র দাস।

সূত্রঃ দৈনিক নয়া দিগন্ত

 

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top