পিত্ত থলিতে পাথর কেন হয়, এবং এর লক্ষন ও প্রতিকার।

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

1 year ago | Date : October 29, 2016 | Category : বিবিধ,হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

pitto-tholiপিত্তথলেতে পাথরের সমস্যাটি একটি খুবই পরিচিত সমস্যা। আমাদের দেশে অনেকেই এই সমস্যায় ভুগেন। আপনি কি মনে করেন দেয়াল তৈরীর পাথর! না তানা আসলে এগুলো দেহের কিছু পর্দাথের সংমিশ্রনে তৈরী এই পাথরের আকার বিভিন্ন রকমের। পাথরের আকার নির্ভর করে তৈরী কিত্ব পর্দাথের উপর। কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়ান ব বিলিরুবিন ইত্যাদি পর্দাথের মিশ্রনে তৈরী হয়। এগুলো হালকা বাদামি, কুচকুচে কালো অথবা ময়লাটে সাদা রঙ্গেরও হতে পারে। পিত্তরস তৈরী করাই এর কাজ । খাবার হজম ক্রিয়ায় (বিশেষ করে চর্বি জাতীয় খাবার) পিত্তরস ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
বিভিন্ন কারনে অতিরিক্ত পর্দাথ পিত্তথলিতে জমে পাথর সৃষ্টি হয়।
যাদের বেশি হয় !!!
অধিক ওজন ও স্থুল ব্যাক্তিদের এই সমস্যা বেশি হয়। পুরুষদের থেকে নারীদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি হয়।
কারনঃ- জম্ম নিয়ন্ত্রনের খাবার বড়ি চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহন ইত্যাদি।
এর লক্ষনঃ- পিত্ত থলির অবস্থান হচ্ছে পেটের ডানে যকৃতের নিচে। এতে পাথর হলে যকৃতের নিচে যন্ত্রনা হবে। এই ব্যাথা বা যন্ত্রনা অনেখনও হতে পারে।
ধীরে ধীরে বুকের ভিতর,পেটের মাঝ বরাবর ব্যাথা ছড়িয়ে যেতে পারে। সেই সাথে হালকা জ্বর ভমি ভমি ভাব ইত্যাদি লক্ষন দেখা দিতে পারে। আবার পিত্ত থলিথেকে পাথর বের হতে গিয়ে অনেক সময় আটকা পরে ফলে বিলিরুবিনের বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে এর অবস্থান বা উপর্সগ দেখে যায়। পাথর বের করতে ইআরসিপি জাতীয় পরিক্ষা করা যায়। এই যন্ত্রনা বা ব্যাথা পেটের আলসার, হৃদরোগের অথবা যকৃতের কিনা তাও পরিক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন।
এই রোগের চিকিৎসা…
যন্ত্রনা অর্থৎ তীব্র ব্যাথার সময় এর এর অস্ত্রোপাচার করা হয়না। সাধারনত কিছু দিন স্বাভাবিক খাবার না খেয়ে স্যালাইন অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে এর উপশমের চেষ্টা করা যেতে পারে। দুই তিন সপ্তাহ পরে করলে ক্ষতি নেই। পেট ফুটো করে বা কেটে দু ভাবেই এর অস্ত্রোপাচার করা যায়। কিন্তু যদি পিত্তথলিতে পাথর আটকে যায় তাহলে ইআরসিপি যন্ত্রের সাহায্যে তা বের করে আনা যায়।

tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top