প্রোস্টেট ক্যান্সারকি? এর লক্ষন ও প্রতিকার

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

3 years ago | Date : October 30, 2016 | Category : অনারোগ্য রোগ,হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

২০১২ সালে এক পরিসংখান অনুযায়ী প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত ১১ লক্ষের বেশি লোক পাওয়া গেছে।
তবে বর্তমানে প্রোস্টেট ক্যান্সারের সফল চিকিৎসা হওয়ার ফলে বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষ এই রোগের হাত থেকে বেছে আছে।

প্রোস্টেট কি ????
প্রোস্টেট হল শ্রেনীচক্রের ভিতরের একটি ছোট গন্থি। এটি শুধু পুরুষেরই থাকে। এই গন্থি মূত্রাশয় এবং পুরুষাঙ্গের মধ্যে অবস্থান করে । এটা মূত্র নালী ঘিরে থাকে। এটি মূত্রাশয় থেকে পুরুষাঙ্গ মূত্র বহন কারী একটি নল বা টিউব। প্রোস্টেটের প্রধান কাজ হচ্ছে বীয্য উৎপাদনে সাহায্য করা।প্রোস্টেট থেকে এক ধরনের ঘন সাদা তরল পদার্থ তৈরী হয় যা টেস্টিকলে (শুক্রাশয়) উৎপন্ন স্পার্ম(শুক্রাণু)-এর সাথে যুক্ত হয়ে বীয্য সৃষ্টি করে।

প্রোস্টেট ক্যান্সারের প্রধান লক্ষন …
প্রোস্টেট ক্যান্সার খুবই ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। আক্রান্ত হওয়ার কয়েক বছর পর এই রোগের লক্ষন দেখা দেয়। এর আকার যখন বড় হয় তখন রোগীর কাছে ধরা পরে।
উপসর্গ গুলো এই রকম হতে পারে..
• বার বার প্রসাব হওয়া(বিশেষ করে রাতে)।
• প্রসাবের বেগ ধরে রাখা কঠিন হয়।
• শুরুতে প্রসাব আসতে দেরী হয়।
• প্রসাব শেষে মনে হয় আবারও প্রসাব হবে এই রকম অনুভব হওয়া।
তবে এই লক্ষন গুলো দেখা দিলেই যে প্রসস্টেট ক্যান্সার তা না অন্য রোগের উপর্সগও হতে পারে।

প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার কারন…
প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার নিদৃষ্ট কারন এখনো জানা জায়নি। এর কয়েকটি কারন আছে যার কারনে এই রোগ হওয়ার ঝুকি থাকে। নিছে তা দেওয়া হলঃ-
• পারিবারিক কারন অর্থৎ নিকটস্থ আত্নীয়সজনের অতিতে প্রস্টেট ক্যান্সার থাকলে। গবেষনায় এই রকম বলা হয়েছে যে কাছের আত্নীয় কোন মহিলার যদি স্তন ক্যান্সার হয় তাহলে তার কাছের লোকের প্রস্টেট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
• নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীর চর্চা করলে এই রোগের ঝুকি কম থাকে।
• গবেষকের বলেছেন উচ্চ ক্যালরি যুক্ত খাবার এই রোগের ঝুকি বাড়ায়।
• টমেটো সহ লাল বেশি খেলে এই রোগের উপসর্গ কিছুটা কম দেখা যায়।
প্রোস্টেট ক্যান্সার নির্ণয়ের পরীক্ষা …
মূলত এই রোগের এখনো নিদৃষ্ট কোন চিকেৎসা আবিস্কার হয়নি। তবে বর্তমানে যে সব পরিক্ষা করা হয়
তা এই গুলো
• সংক্রমন আছে কিনা ত জানার জন্য মূত্রের পরিক্ষা
• পায়ু পথে পরিক্ষা
• রক্ত প্রোস্টেট স্পেসিফিক এন্টিজেনের মাত্রা নির্ণয়ের পরিক্ষা।

প্রোস্পেসিফিক এন্টিজেন পরিক্ষার মাধ্যমে রক্তে এর উপস্থিতির মাত্রা নির্ণয় করা হয়। তাছাড়াও এর মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রোস্টেট ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়।
প্রোস্টেট ক্যান্সারের পরিক্ষা সর্বদা দ্রুত করতে হয় না। প্রথমিক পর্যায়ে অর্থৎ এখনো উপর্সগ দেখাদেয় নি এমন হলে শুধু শর্তকতা অবলম্ভন করলেই চলে। আবার অনেক সময় চিকিৎসার মাধ্যমে এর নির্মুল করা হয়। যেমনঃ- রেডিওথেরাপি, হরমোম থেরাপি, সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে। অনেকে আছে প্রথমিক অবস্থায় এর গুরুত্ব দেয়না, যখন এর মাত্রা বেড়ে অর্থৎ যখন প্রসাব বার বার হয় , প্রসাবের বেগ হওয়ার পর তা ধরে রাখতে খুব কষ্ট হয় তখন এ নিয়ে চিন্তিত হয়।

প্রোস্টেট ক্যান্সার নিয়ে জীবন যাপন…

আমরা আগেই জেনেছি যে প্রোস্টট ক্যান্সার খুব ধীরে ধীরে হয় , তাই তা প্রকাশ পেতে দীর্ঘদিন লাগে। তারপরো এটি জীবনের জন্য হুমকি সরূপ। ক্যান্সারের সমস্যা, পুরুষাঙ্গের উথ্যন প্রসাবে বেগ হলে ধরে রখতে কষ্ট। তাই উপরোক্ত নির্দেশনা গুলো মেনে চললে এর হাত থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া যায়।

tags: ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top