লাল মাংশ হৃদরোগের ঝুকি বাড়ায়

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

10 months ago | Date : October 28, 2016 | Category : বিবিধ,হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

red-meatযুক্তরাস্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ ড.স্ট্যানলি হ্যাজেন ও তার সহকর্মিরা হৃদরোগের আরেক নতুন শত্রু বের করেছেন। আর এই শত্রুটি পাওয়া গেছে লাল মাংশে।
গবেষকদের মতে স্যাসুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল হৃদ রোগ সৃস্টিতে এত দিন বড় করে দেখা হয়েছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তা হল সামান্য। আর বড় হচ্ছে লাল মাংশে যে শত্রু ধরা পরেছে। লাল মাংশ খাওয়ার পর এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বা ক্যামিক্যাল নিঃসৃত হয়ে পাকেস্থলীতে যা ব্যকটেরিয়ার দ্বারা ভেঙ্গে যায়। লিভার এই পদার্থকে টামো নামে একটি ক্ষতিকর পদার্থে পরিনত করে। এই টমো নামের পদার্থটি রক্তে প্রভাহিত হয়ে হৃদ রোগের ঝুকি বাড়ায়।
গবেষকগন আরও বলেন হৃদরোগ সৃষ্টি্তে টামোর ভূমিকা থাকায় এন্টি-বায়োটিক হৃদরোত হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে। তাছাড়াও রক্তে টমোর পরিমান দেখে হৃদরোগের ধারনা পাওয়া যায়।
রেটমিট সম্পকে স্ট্যাডি অথার এবং ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের সেলুলার এন্ড মলিকুলার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ড.হ্যাজেন উল্লেখ করেন রেড মিট এর সবকিছুই খারাপ তা নয়। রেড মিট এর ভিটামিন ও প্রোটিন স্বাস্থের জন্য খুবই উপযোগী। তাহলে প্রশ্ন রেড মিট খাবারের ফলে হৃদরোগের ঝুকি বড়ায় কেন?? আর উত্তর হল তা অনুসন্ধান করার জন্যই গবেষনা। গবেষকদের মতে রেড মিটের কোলেস্টেরল ও স্যাসুরেটেড ফ্যাট থেকেই কেবন হৃদ রোগের সৃষ্টি হয় না।
ড.হ্যাজেনের মতে রেড মিটের কারনিটিন হচ্ছে হৃদরোগ সৃষ্টির প্রধান কালপ্রিট। তারা আরও বলেন কারনিটিন নিজে ভয়ানক নয়। এটি পাকিস্থলিতে যাওয়ার পর ব্যাকটিরিয়ার মাধ্যমে হজম বা মেটাবোলাইজড হয়। বিপদ জনক ভাবে কানিটিন টামো হিসাবে রক্তে সঞ্চারিত হয়।
ড.হ্যাজেন আরও একটি তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন এনার্জি ড্রিংকস সমূহে কারনিটিন পাওয়া যায়। এটি ও হৃদরোগের ঝুকি বাড়ায়।
অতএব, যাদের হৃদরোগ এর ঝুকি আছে তারা রেড মিট ও এনার্জিক ড্রিংকস সম্পকে সর্তক থাকা উচিত।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top