আকস্মিক বিষক্রিয়ার চিকিৎসা…

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

11 months ago | Date : September 21, 2016 | Category : আকস্মিক বিষক্রিয়া,বিবিধ | Comment : Leave a reply |

খাদ্যে বিষক্রিয়াবাচ্চা কত বছরের এবং কি পরিমান বিষাক্ত বস্তু খেয়েছে এর উপর নির্ভর করে উপসর্গ দেখা দেয়।বিষ বা বিষাক্ত বস্তু বিভিন্ন ধরনের এবং এদের ক্রিয়াও ভিন্নতর। যেমনঃ- কিছু বিষাক্ত বস্তু খাওয়ার পর বমি বমি ভাব থাকে, বমি হয়, মূখ ও খাদ্যনালী জ্বালাপোড়া করে ইত্যাদি। কিছু বিষাক্ত বস্তু খাওয়ার পর মারাত্মক আকার ধারন করে। যেমনঃ- শ্বাসযন্ত্রের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া, এমন কি মৃত্যু প্রযন্ত হতে পারে। আবার এমন কিছু বিষক্ত বস্তু আছে যা খেলে তেমন কোন ক্ষতি হয়না। বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত মানুষের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু যাদের বয়স ৫ বছরের নিচে। সাধারনত ভূল বসত বড়রা বিভিন্ন বিষাক্ত বস্তু শিশুদের নাগালে রেখেদেন। ৫ বছরের নিছের ছেলে-মেয়েরা ভাল মন্দ বিচার করতে পারেনা।এতে তারা বিষাক্ত বস্তু খেয়ে পেলতে পারে। মহূর্তের মধ্যে এইসব বিষক্রিয়া ঘটেযেতে পারে। শিশুরা কৌতুহল বসত অনেক কিছু করে। যেমন বড়রা কিছু উপরে রাখলে ভালো মনে করে নেওয়ার চেস্টা করে বা নিয়ে নেয়।
ছোট শিশুরা কাছে যা পায় তাই মুখে দেয়। এতেও আকস্মিক বিষক্রিয়া হতে পারে।
শিশুরা বাস্তব মুখি যা দেখে তা করতে চায়।অনেক সময় দেখাগেছে বড়রা তাদের ঔষধ খেয়ে (ঘুমের ঔষধ, জ্বরের ঔষধ, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি) শিশুদের সামনে রেখে দেয়। তা দেখে শিশুরাও মুখে দেয়। এতে মারাত্মক বিষক্রিয়া হতে পারে। কেননা, আপনার ঔষধ আপনার বয়সের সাথে মেসিং করা , শিশুর বয়সের সাথে নয়।
এছাড়াও বাড়িতে থাকে সাবান, ব্লিচিং পাওডার , চর্ম রোগের ক্রিম শ্যাম্পু, লোশন এবং বিভিন্ন কীটনাশক যা সতর্কহীনতার জন্য অচিরেই মারাত্মক ক্ষতির কারন হতে পারে।
বিষাক্ত বস্তু খাওয়া ব্যাক্তির চিকিৎসা …
বিষাক্ত বস্তু বা বিষের ক্রিয়ার উপর নির্ভর করে এর চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অ্যাকটিভেটেড চারকোলঃ- একটি বিষ পরিশোধক পদার্থ যা শরীরে বিষের শোষণকে বাঁধা প্রধান করে নিজে বিষকে পরিশোষন করে মলের সাথে দেহ থেকে বের করে দেয়। কিন্তু বিষ খাওয়ার এক ঘন্টার মধ্যে খাওয়াতে হয়। খাওয়ানের পর রোগীকে যত তারাতারি সম্ভাব রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। তাই প্রত্যেক বাসায় বিষ শোষক এই পদার্থটি সামান্য পরিমান হলেও রাখা উচিৎ।
বাজারে ভালো ঔষধের দোকানে পদার্থটি আল্ট্রাকার্বন নামে পাওয়া যায়।
রোগীর পাশে থেকে সেবা করতে হবে, খেয়াল রাখাতে হবে রোগীর শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া, রক্তচাপ এবং হৃদযন্ত্র সচল আছে কিনা।
বিষক্রিয়ায় রক্ত পরীক্ষা…
বিষক্রিয়ায় রক্ত পরীক্ষা করা অত্যান্ত জরুরি। কেননা, রক্তে কি পরিমান বিষ ছড়িয়েছে প্রথমে তা জানতে হবে তার পর পরবর্তি চিকিৎসা দিতে হবে।
প্রতিরোধ…
বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রতিকারের ছেয়ে প্রতিরোধই বেশি উপকারী।কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার শিশুকে বিষাক্ত বস্তু থেকে দূরে রাখতে পারবেন।
• সকল প্রকার ঔষধ, কীটনাশক ও রাসায়নিক পদার্থ শিশুদের নাগালের বাহিরে রাখুন।
• শিশুদের ঔষধ খাওয়ানোর আগে নাম, তারিখ ও ব্যবহার বিধি দেখে খাওয়ান।
• মেয়াদোত্তীর্ণ ওষধ নিদৃষ্ট স্থানে পেলুন।
• ওষধ বা রাসায়নিক পদার্থ তালাবদ্ধ আলমেরিতে রাখুন।
• প্রথমিক চিকিৎসা জেনে নিন এবং প্রথমিক চিকিৎসার যন্ত্রপাতি বাড়িতে রাখুন সাথে আলট্রাকার্বনও।
• নিকটবর্তি ডাক্তারের মোবাইল নম্বর কাছে রাখুন।
উল্লেখিত বিষয় গুলো মাথায় রাখলে আসা করি আপনার শিশুকে আকস্মিক বিষক্রিয়া থেকে দূরে রাখতে পারবেন।
আলট্রাকার্বনের ব্যবহার বিধি ও সতর্কতা…
কোন রকমের দ্বিধা ছাড়াই বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত ব্যাক্তিকে ৫০ টি ট্যাবলেট গুলে পেস্ট তৈরী করতে হবে।তারপর রোগীকে খাওয়াতে হবে।যত তারাতারি সম্ভাব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
মনে রাখতে হবে পেস্টিসাইড বা কীটনাশকজনিত বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে আলট্রাকার্বন সেবন করা যাবে না।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top