সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে চাই ঐক্য প্রচেষ্টা

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

9 months ago | Date : October 18, 2016 | Category : ছোঁয়াচে রোগ,ভাইরাসজনিত রোগ | Comment : 1 Reply |

ear-problemবিশ্বজুড়ে এক মহামারির ভয়াভহ আশঙ্কা ! যার নাম ইনফ্লুয়েঞ্জা ।।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)  প্রতি বছর ১১ জুন ইনফ্লুয়েঞ্জা সর্ম্পকে একটি সর্তকবাণী পেশ করে।

সংস্থাটি বলল ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ (এইচ১ এন১) বিশ্বজুড়ে মহামারি হয়ে আসছে। সর্তকতার মান উন্নীত করে ৬-এ আনা হলো। এই ঘোষনার মধ্য দিয়ে নতুন এইচ১ এন১   ভাইরাসের বিস্তারের ব্যাপকতা আলোকপাত হয়েছে।ভাইরাসে রোগের গুরুতর কতটুকু । এরমধ্যেই প্রায় ৭০ টি দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ সংক্রমনের কথা কানে এসেছে।  এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে  এর আর্বিভাবের কথা শোনা যাচ্ছে।

দক্ষিন গোলার্ধে যে ঋতুতে ফ্লুর সংক্রমন হচ্ছে একই ঋতুতে নতুন ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমন বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে এইচ১ এন১ ভাইরাসের আক্রমন গ্রীষ্মকালে বাড়ছে।এটাও যানা গেছে যে এর আক্রমন যুক্তরাষ্ট্রে সবছেয়ে বেশি। কিন্তু বিশির ভাগ অসুস্থ ব্যাক্তি চিকিৎসা ছাড়াই ভালো হচ্ছে।

তবে বেশির ভাগ অসুস্থ রোগী চিকিৎসা ছাড়াই ভাল হয়ে যাচ্ছে। যুক্ত রাষ্ট্রের একটি সংস্থা ধারনা দেন যে  গ্রীষ্ম শেষ হয়ে শীত আসা প্রযন্ত মানুষ আরও মরার সম্ভাবনা আছে।নতুন এইচ১ এন১ সেই সঙ্গে আবার ফ্লু। দুইটি একত্র হয়ে এখন মারাত্নক আকার ধারন করেছে। শূকরের উৎস থেকে আসা একটি নতুন ভাইরাস হচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা-এইচ১ এন১।

২০০৯ সালের মার্চ বা এপ্রিল মাসে এই ভাইরাস সর্ব প্রথম মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমন করে । এই ভাইরাস রোগীর হাত নাক বা মুখের মাধ্যমেও সংক্রোমিত হতে পারে।

এইচ১এন১ ভাইরাসের ফ্লু জ্বরের নানা রকমের উপসর্গ দেখাদিতে পারে যেমনঃ-জ্বর, গলা খুসখুসে ভাব, শরীর ব্যাথা, কফ, ভমি ভমি ভাব ও ভমি হওয়া, মল তরল হওয়া ইত্যাদি।

১৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে এইচ১এন১ ভাইরাসে আক্রান্ত একজন রোগী পাওয়া যায়। এর দুই দিন পর অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল আরেক জন রোগী পাওয়া যায়। এই থেকে ধারনা করা যায় রোগটি একজনের থেকে অন্য জনে সংক্রমিত হয়েছে।

সংক্রমন থেকে বাচার কিছু নির্দেশিকা…

ফ্লু রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি বার বার হাত মুখ ধুয়ে পেলা। পরিবারের সবাই মাস্ক ব্যবহার করা। রোগী সুস্থ ব্যাক্তি থেকে এড়িয়ে চলা। সুস্থ হওয়া প্রযন্ত অর্থৎ কিছু দিন বাহিরে না বেড়ানো। সংক্রমনের আশঙ্কা থাকবেনা।

এইচ১এন১ ভাইরাস শনাক্ত করার জন্য যুক্ত রাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি)

তবে এর টিকা এখনো বাহির হয়নি

প্রতিনিয়ত তদারকির মাধ্যমে এই ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এর জন্য  নিয়মতান্ত্রিক ভাবে কাজ করতে হবে।

  • এই রোগ শনাক্ত করার জন্য সবাইকে এর উপসর্গ সর্ম্পকে ধারনা থাকতে হবে।
  • স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাধারন মানুষের কাছে এর উপসর্গ সম্পরকে সচেতন করতে হবে।
  • যেখানে সেখানে কফথুতু, হাচি কাশি দেওয়া উচিৎ নয়।
  • ময়লা এবং দূরগদন্ধ স্থানে নাক-মুখ টিস্যু ব্যবহার করতে হবে।
  • দুলা বালিতে মুখ মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
  • বাহির থেকে আসা সাথে সাথে সাবান দিয়ে হাত মুখ ভালো ভাবে দুতে হবে।
  • রোগেদের থেকে দূরে থাকতে হবে।
  • ফ্লুর লক্ষ্যন দেখাদিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের মরার্মশ নিতে হবে।

নিছে এর কয়েকটি লক্ষন দেওয়া হলোঃ-

  • প্রচন্ড তাপমাত্রায় জ্বর জ্বর ভাব বা জ্বর হতে পারে।
  • হাচি কাশি সাথে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

এমনতাই অবস্থায় রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। আমাদের দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ এইচ১এন১ ভাইরাসে আক্রান্ত কয়েক জন রোগী পাওয়া গেছে। এই জন্য আমাদের দেশেও এর চিকিৎসার ব্যবস্থা পাশা পাশি ঔষধ ও টিকার ব্যবস্থা করতে হবে। এর ভয়াবহতা প্রযায় ক্রোমে বাড়তেছে।

তাই এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গন সচেতনা গড়ে তুলতে হবে।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags:

One response to “সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে চাই ঐক্য প্রচেষ্টা”

  1. Avery88 says:

    Reading your website gave me a lot of interesting informations , it deserves
    to go viral, you need some initial traffic only.
    How to get initial traffic?? Search for: masitsu’s effective method

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top