শিশুর জন্য ভিটামিন “এ”

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

11 months ago | Date : September 27, 2016 | Category : বিবিধ,হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

vitamin-aভিটামিন সম্পর্কে বিভিন্ন জনের ধারনা বিভিন্ন রমের। ভিটামিনের আরেক নাম হচ্ছে খাদ্য প্রান, অর্থাৎ ভিটামিন এমন এক পদার্থ যা আমাদের দেহের ক্ষয় পূরন, বৃদ্ধি সাধন ও রোগ প্রতিরোধে অত্যান্ত প্রয়োজনীয়। আমাদের দেহের জন্য ৬টি ভিটামিন;এগুলো হলঃভিটামিন-এ, বি, চি, ডি, ই, কে এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। প্রতিটি ভিটামিনের কাজ বা ক্ষমতা ভিন্ন রকম। সুষম খাবার বলতেই ভিটামিন সমিদ্ধ খাবারকে বোঝায়। অর্থাৎ শিশু, কিশোর, বিদ্ধ সবার খাদ্যে ভিটামিন থাকা আবশ্যক। প্রত্যেক ভিটামিনের কাজ এবং উৎস ভিন্নতর।
যেমন ভিটামিন “এ”এই সুন্দর পৃথিবীকে দেখার কাজে সাহায্য করে। অর্থৎ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। এছাড়াও ত্বক, খাদ্যনালী এবং শ্বাসনালীর আবরন সুস্থ রাখে, রোগ প্রতিরোধ করে এবং শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
উৎসঃবিভিন্ন রকমের শাকসবজি, ফলমূল, দুধ, ছোট মাছ ও মাছের তেল ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ পাওয়া যায়।
ভিটামিন “এ” এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। সময় মত চিকিৎসা না করালে সামনের পর্দা শুকিয়ে চোখের কার্নিয়ায় ঘা হয়। এক সময় চোখ অন্ধ হয়ে যায়।
ভিটামিন “এ” এর অভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে সহজেই নানা রকমের রোগে আক্রান্ত করে। আর্শ্চয হওয়ার বিষয় এখানে যে সবুজ শাকসবজিতে ভরপুর এই বাংলাদেশে প্রতিবছর ৩০ হাজার শিশু ভিটামিন “এ” এর অভাবে অন্ধ হয়। এর প্রধান কারন হচ্ছে পিতামাতার অসচেতনা।কেনন, আমাদের সবুজ শ্যামল এই দেশেতো শাকসবজির অভাব নেই। ভিটামিন “এ” এর অভাব দূর করার জন্য সরকারি পর্যায়ে কিছু উদ্ধেগ নেওয়া হয়েছে।যেমনঃএক থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের বামের টিকার সাথে একটি ভিটামিন “এ”ক্যাপসুল দেওয়া হয়। এক বছরের নিচে শিশুদের ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল দেওয়ার নিয়ম নেই। তবে শিশু যদি দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া বা অপুষ্টিতে ভোগে তাহলে দেওয়া নির্দেশ আছে। অনেক সময় দেখাযায় যাদেরকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় তারা সকল শিশুকে ক্যাপসুল দেয়।কিন্তু তারা যানেনা এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন “এ” দিতে হয় না।
সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী সকলের প্রতি এই ব্যাপারে সচেতন হওয়ার জন্য অনুরোধ থাকল।
পিতামাতা বা বড়রা খেয়াল রাখবেন এক বছরের বড় শিশুদের যাতে ভিটামিন “এ”ক্যাপসুল বাদ না পরে পাশাপাশি এক বছরের ছোট শিশুদের ভিটামিন ক্যাপসুল যেন না খাওয়ানো হয়।কেনন, মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন “এ” এর কারনে পার্শপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ভমি ভমি ভাব, মাথার তালু ফুলে যাওয়া, চোখের রেটিনা ফুলে গিয়ে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি।
বিঃদ্রঃখারারের তালিকায় ভিটামিন “এ” সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।

তাহমিন বেগম
ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ ও বারডেমম
অধ্যাপক, শিশু বিভাগ

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top