ক্যান্সার প্রতিরোধে ভিটামিন –সি

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

1 year ago | Date : September 25, 2016 | Category : বিবিধ,হেলথ টিপস | Comment : Leave a reply |

ভিটামিন সি হচ্ছে পানিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন। ভিটামিন সি দেহের জন্য ক্ষনস্থায়ী। অতিরিক্ত ভিটামিন সি প্রসাবের সাথে বাহিরে চলে আসে। যেহেতু ভিটামিন সি দেহের জন্য ক্ষনস্থায়ী তাই প্রতিদিন এই ভিটামিন গ্রহন করা উচিৎ। ভিটামিন সি যুক্ত কয়েকটি ফল। যেমনঃ- কমলা, লেবু, পেয়ারা, জলপাই, আঙ্গুর, টমেটোতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

গবেষকদের মতে ভিটামিন সি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এছাড়াও ভিটামিন সি দেহের ক্ষয় পূরন বৃদ্ধি সাধন করে । দাত ও মাড়িতে এর তুলনা নেই। রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রন সহ আরো কিছু কাজ করে ভিটামিন সি। যেমনঃ- পোড়া বা যে কোন ক্ষতস্থান, অ্যাজমা, একজিমা ইত্যাদি সহজেই সেরে উঠতে সাহায্য করে।
অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং মহিলাদের এক্লামশিয়া রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি খুবই উপকারী। আমরাতো সবাই জানি ভিটামিন সি মূলত একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।
বিশেষ করে টক জাতীয় ফল হচ্ছে ভিটামিন সি এর প্রধান উৎস। আমাদের দেশে এমন অনেকেই আছেন যারা টক জাতীয় ফল খান না। এটা মোটেও ঠিক নয়।
অনেকের ধারনা পুড়ে গেলে বা কেটে গেলে টক জাতীয় ফল খেলে তা পেকে যাবে বা সহজে সারবেনা। এটা যে কত মস্ত বড় বোকামি তা আর বলার অপেক্ষা থাকেনা।
অথচ কেটে বা পুড়ে গেলে টক জাতীয় ফল আরো বেশি খাবে। কেনন, এর কাজই হচ্ছে ক্ষত স্থান সহজে সেরে ফেলা।
নাইট্রেট এবং কার্সিনোজেন ইত্যাদি থেকে শরীরকে রক্ষা করার মধ্যদেয়ে ভিটামিন সি কান্সার হওয়া থেকে আমাদেরকে মুক্ত করে। তবে ক্যান্সার হওয়ার এর কতটা লাভ জনক তা নিয়ে গবেষনা চলছে।
তাই প্রত্যেক ব্যাক্তির প্রতিদেন কিছু না কিছু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিৎ

tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


↑ Top